স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে পারবেন সে আলোচনা ক্যাম্পাসের সর্বত্র। ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীরাও এ বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখছে প্রতিমুহুর্তে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন থেকে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জোট সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদভুক্ত সংগঠনগুলো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ভিত্তিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে নিয়ে প্যানেল দিতে পারে ছাত্রলীগ।
মূলত এদের মধ্য থেকেই ভিপি-জিএস পদে প্রার্থী দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এবং ঢাবি শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। তাদের বয়সও ৩০-এর মধ্যে। ফলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইনকে ভিপি-জিএস পদে ভাবা হচ্ছে।
শীর্ষ চার পদের বাইরে আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্যবিদায়ী উপ-কর্মসূচী ও পরিকল্পনা সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী, আইন সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়, সহ-সভাপতি সোহান খান, সহ-সম্পাদক খাদিমুল বাশার জয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন বিন ছাত্তার সহ আরো অনেকে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্যবিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সও আলোচনায় আছেন। পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের দক্ষিন গুথুমা গ্রামের সাদ বিন কাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী। তার নানা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল করিম মজুমদার খোকা মিয়া ও মামা বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এনামুল করিম মজুমদার বাদল।

Share Button