জনসাধারণের চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ হওয়ায় বদলে গেছে শহর।মরণঘাতী করেনাভাইরাসের বিস্তার রোধে জনসাধারণের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ফেনীতে কাজ করছে সেনাবাহিনী। নিশ্চিত করা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব। দোকান-পাট বন্ধ থাকায় এবং গাড়ি চলাচল সীমিত হওয়ার পাশাপাশি রাস্তায় ফেনী শহরের চিরচেনা ছবি। স্তব্ধ জীবনযাত্রা।এখন পর্যন্ত ফেনীতে কোনো করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বুধবার, ২৫ মার্চ থেকে ফেনীতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। জেলায় এ পর্যন্ত ৮৮৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।এদিকে, করোনার প্রাদুর্ভাব রোধে সকল প্রকার গণপরিবহন বন্ধ হওয়ায় বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ফেনীর বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন ছিল জনশূন্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানপাট, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মেসি, কাঁচা তরিতরকারির দোকান খোলা থাকে।
অতীব প্রয়োজন ছাড়া কাউকে শহর ও বাজারে আসতে দেখা যায়নি। সড়কে মানুষের চলাচল নেই বললেই চলে। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। মানুষকে ঘরে রাখতে অব্যাহত রয়েছে সেনাটহল।এদিকে করোনা প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশে জনগনকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন। বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরবাসী। এদিকে ফেনী পৌরসভা শহরের রাস্তাঘাট জীবাণুমুক্ত করতে জীবানুনাশক ঔষধ ছিটাচ্ছে।
জেলাজুড়ে প্রচারণা, সামজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম এড়ানো ও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণে কাজ করছে সেনাবাহিনী। বিদেশ ফেরত নাগরিকদের হোম কোয়ারাইন্টাইনের বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি একসঙ্গে দুজন ব্যাক্তি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এছাড়াও বাজার মনিটরিং, দরিদ্র মানুষকে সহায়তায় কাজ করছে জেলা প্রশাসন ফেনী জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ফেনীর সকল নাগরিককে ঘরে থাকার আহ্বান জানান। এসময় গরীব, অসহায় ও ছিন্নমুল মানুষের মাঝে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা প্রদান করা হবে তিনি বলেন।
Share Button