সোনাগাজী সংবাদদাতা: সোনাগাজীতে বিয়ের প্রলোভনে এক যুবতীকে (২১) ধর্ষণের অভিযোগে মো. মাঈন উদ্দিন (৩২) নামে একজনকে আসামি করে মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।রোববার (০৭ জুন)দুপুরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ওই যুবতীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। গত ৫ জানুয়ারী রাতে উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের একটি এলাকায় ওই যুবতী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ধর্ষক মো. মাঈন উদ্দন পলাতক রয়েছেন। তিনি উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই যুবতী ও বখাটে মাঈন উদ্দিন তারা একই এলাকার পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা। মাঈন উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ওই যুবতীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে সুবাধে বখাটে মাঈন উদ্দিন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়। মাঈন উদ্দিন একাধিকবার ওই যুবতীকে ধর্ষণ করে। গত ৫ জানুয়ারী রোববার রাতে বাড়িতে কেউ না থাকায় মাঈন উদ্দিন তাকে ডেকে বাড়ির দক্ষিণ পাশের একটি জায়গায় নিয়ে যুবতীকে বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বর্তমানে তিনি পাঁচমাসের অন্তসত্ত্বা। পরে যুবতী বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মা-বাবাকে জানায়। তারা মাঈন উদ্দিনের পরিবারকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। মাঈন উদ্দিনের পরিবারের লোকজন বিষয়টি সমাধানের কথা বলে কালক্ষেপন করতে থাকেন।

এ সময়ে মাঈন উদ্দিন এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। গত কয়েকদিন আগে যুবতীর পরিবার বিষয়টি স্থানীয় সমাজ কমিটির লোকজনদেরকে অবহিত করেন। সমাজ কমিটির লোকজন তাদেরকে থানায় গিয়ে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন। যুবতী বলেন, বখাটে মাঈন উদ্দিন তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। তিনি মাঈন উদ্দিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তার গর্ভের সন্তানের পিতৃ পরিচয় প্রদানসহ স্ত্রীর মর্যাদা দাবী করেন। সোনাগাজী মডেল থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রোববার (০৭ জুন)দুপুরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ওই যুবতীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এঘটনায় শনিবার রাতে যুবতী নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

Share Button