স্টাফ রিপোর্টার: বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গেদুচাচা খ্যাত বিশিষ্ট সাংবাদিক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ,পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য ,মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ফেনীতে প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ফেনীতে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মিছিল শেষের প্রধান বক্তা, বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ছাগলনাইয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, আজকের সূর্যোদয় এর প্রধান সম্পাদক, সাপ্তাহিক সুগন্ধার প্রধান সম্পাদক, দৈনিক আজকের ঢাকার প্রধান সম্পাদক খোন্দকার মোজাম্মেল হকের মৃত্যুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবক আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী ২ আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি, ফেনী ১ আসনের এমপি শিরীন আখতার এমপি, ফেনী ৩ আসনের এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ফেনী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহানারা বেগম সুরমা, সাধারণ সম্পাদক লায়লা জেসমিন বড় মনি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ফেনী জেলা শাখার সভাপতি এমরান পাটোয়ারী, জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ফেনী প্রেস ক্লাব ও ছাগলনাইয়া প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার বেলা ৩ টায় ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গতিয়া সোনাপুরে পারিবারিক করবস্থানে গার্ড অব অনার প্রদানের পর বাদ আছর দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে জানাজা শেষে উনার মায়ের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হবে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় সেগুনবাগিচায় প্রথম নামাজে জানাজা শেষে তার লাশবাহী গাড়ি ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা দিবে।
গত শনিবার ডায়াবেটিস জনিত কারণে শারিরীক অসুস্থতা দেখা দিলে ডাক্তারের মাধ্যমে ঢাকার সেগুনবাগিচার নিজ বাসায় প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনি।
রবিবার সন্ধ্যায় তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে ঢাকা উত্তর বাড্ডা এএমজেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালে সোমবার বিকেল ৪ টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি…….রাজিউন)। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র, ২ মেয়ে, ৩ ভাই, ৫ বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।
Share Button