স্টাফ রিপোর্টার: ঠিকাদার অপহরণ মামলায় ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলমকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। আত্মগোপনে থাকাকালে ফেনী ডিবির অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত আগামী রবিবার মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করে আসামীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গ্রাম পুলিশের পোষাক সরবরাহের দরপত্র জমা দিতে গত রবিবার টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার ইনপিঞ্জার গ্রামের খলিলুর রহমান নামে এক ঠিকাদার ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আসেন। সকাল ১১টায় তিনি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে যাওয়ার সময় জানে আলমের ক্যাডার বাহিনী ‘মাটি আর মানুষ’ নামীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার খলিলুর রহমানের গতিরোধ করে দরপত্র জমা দিতে নিষেধ করেন। নিষেধ অমান্য করে নির্ধারিত বাক্সে দরপত্র জমা দেয়ার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এসময় তাকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে “কিং অব ফেনী কমিউনিটি সেন্টারে” আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশে টিম বিভিন্ন স্থানে তল্লাশীর পর দুপুরে তাকে উদ্ধার করে।

ঠিকাদার খলিলুর রহমান বাদি হয়ে শর্শদী ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলমসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ ও ২/৩ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে অভিযানে উত্তর জাহানপুর এলাকার মোয়াজ্জেম বাড়ীর আবুল কাসেমের ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২০), জোয়ারকাছাড় এলাকার সাহাব উদ্দিন মোল্লা বাড়ির কবির আহম্মদের ছেলে কামরুল হাসান সাব্বির (২৩) ও শহরের পূর্ব উকিলপাড়া এলাকার মুন্সি পুকুরপাড় সংলগ্ন বাড়ীর শাহাদাত হোসেনের ছেলে মো. রাসেল হোসেন (২৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এই ৪ জনের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত আগামী রবিবার রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য করেছেন। এদের মধ্যে সম্রাট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

 

Share Button