সোনাগাজী প্রতিনিধি: নুসরাত নেই। ফেনীর সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি দীর্ঘ  ৫ দিন ধরে আগুনে ঝলসানো দেহ নিয়ে  বাাঁচার শেষ চেষ্টা করেও চলে গেছে পরপারে। এর আগে তার এক চিঠিতে বান্ধবীদের  লিখেছিল রাফি“ আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়বো”। রাফির গায়ে আগুন দেয়ার পর তাকে যারা উদ্ধার করেছে তাদের ভাষ্যমতে, তার বাঁচার কোন সম্ভাবনা ছিল না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের ডা. শামন্ত লাল নুসরাতের শরীরের ৭৫ থেকে ৮০ ভাগ পুড়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেন। রাফির শরীরে রক্ত গুকিয়ে যা্ওয়ার ফলে তা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া তার কিডনি ও ফুসফুস মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে ডাক্তারদের আপ্রাণ চেষ্টা ও সারাদেশের মানুষের আশীর্বাদেও বেঁচে উঠেনি রাফি।

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজীতে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতর নুসরাতের (১৮) গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। শনিবার সকালে সোনাগাজী পৌর এলাকার ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রী ওই মাদ্রাসা থেকেই আলিম পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। আগুনে হত্যা চেষ্টার পর নুসরাতকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢামেকে নিয়ে আসা হয়। তার চিকিৎসায় গঠিত হয় মেডিকেল বোর্ড। সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Share Button