বার্তা ডেস্ক : ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে আ’লীগ প্রার্থী এড. রফিকুল ইসলাম খোকন দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবারের মতো এ পৌরসভায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত তা চলতে থাকে। নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন বিপুল পরিমাণ পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার ভিডিপির সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়ে তৎপর ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বিপুল পরিমাণ বহিরাগত অবস্থান করলেও বড় ধরনের কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। তবে ২/১ জন কাউন্সিলর প্রার্থী বহিরাগতদের হাতে লাঞ্ছিত হবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে প্রায় ১৮ জন বহিরাগতকে আটক করে।
এ নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি, জাপা বা জামাতের কোন প্রার্থী অংশ নেয়নি। এড. রফিকুল ইসলাম খোকন ছিলেন আ’লীগের একক প্রার্থী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফেনী-৩ আসনের সাবেক আলোচিত এমপি হাজী রহিমুল্লার শ্যালক আবু নাছের। খোকন নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৩৬১ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।
বিপরীতে মোবাইল প্রতীকে আবু নাছের পায়, ১ হাজার ৭৫ ভোট, এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ হিজবুল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পায় ৪০২ ভোট ও জগ প্রতীক নিয়ে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সেলিম পায় ৭৯ ভোট।
কাউন্সিলর পদে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে বিজয়ীরা হলেন, ১নং ওয়ার্ডে মোঃ মোস্তফা, ২নং ওয়ার্ডে হেদায়েত পাটোয়ারি, ৩নং ওয়ার্ডে ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়া, ৪নং ওয়ার্ডে বেলাল হোসেন, ৫নং ওয়ার্ডে নাছির উদ্দিন রিপন, ৬নং ওয়ার্ডে আইয়ুব আলী খাঁন, ৭নং ওয়ার্ডে জামাল উদ্দিন নয়ন, ৮নং ওয়ার্ডে শেখ কলিম উল্যাহ রয়েল, ৯নং ওয়ার্ডে নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।
সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এএম জহিরুল হায়াত বলেন, নির্বাচনে কোন বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

Share Button